বৃহস্পতিবার,

২৯ অক্টোবর ২০২৬

|

কার্তিক ১৪ ১৪৩৩

XFilesBd

বাংলাদেশের পর্যটনে নতুন মাত্রা: বিটিএফ মেলায় এভারলাইন ক্রুজের বিশেষ ছাড় ও ফ্রি সুন্দরবন ভ্রমণের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:১৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ২২:৩৩, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের পর্যটনে নতুন মাত্রা: বিটিএফ মেলায় এভারলাইন ক্রুজের বিশেষ ছাড় ও ফ্রি সুন্দরবন ভ্রমণের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটনের মেধাবী প্রকৌশলী ও সৃজনশীল উদ্যোক্তা প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে প্রশংসিত হওয়ার পর এবার দেশের পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় নিয়ে হাজির হয়েছেন। পোর্টল্যান্ডে সুবিশাল ফুলের খামার, বাগান ও সফল হোটেল ব্যবসার পর এবার তিনি বাংলাদেশের পর্যটনের নান্দনিকতা বদলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলায় আধুনিক ক্রুজ পরিচালনার মাধ্যমে ভ্রমণপ্রেমীদের নজর কেড়েছেন এই উদ্যোক্তা যাঁর নাম ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর খান। যুক্তরাষ্ট্রেও তাঁর রয়েছে সুবিশাল এলাকাজুড়ে হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট। এবার তাঁর আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে যাচ্ছে সুন্দরবন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (BCFCC) আয়োজিত ১৪তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (BTTF 2026)-এ অংশ নিয়েছে তার প্রতিষ্ঠান 'Everline Cruise'। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ট্যুরিজম ফেয়ারে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ছাড় এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে ফ্রি সুন্দরবন ক্রুজ জেতার সুযোগ। ফেয়ারের শেষ দিনে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী দুই জন সৌভাগ্যবান অতিথি (প্রত্যেকে একজন সঙ্গীসহ) খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা রুটে ৩ দিন ও ২ রাতের এই রোমাঞ্চকর ক্রুজ ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

দেশীয় পর্যটকদের সুন্দরবনের অন্দরমহলের সৌন্দর্য এবং নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রকৃত রূপ বিশ্বমানের আতিথেয়তায় উপহার দিতে চান এই দূরদর্শী প্রকৌশলী। পর্যটন শিল্পে নতুন এই মাত্রা যোগ করতে ভ্রমণপিপাসুদের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের এভারলাইন ক্রুজের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রকৌশলী মাসুদুর খান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে কাজ করার মাধ্যমে অর্জিত আমাদের ২২ বছরের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা দেশের পর্যটন খাতে আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা ও সেবা নিশ্চিত করতে অবদান রাখতে চাই। মিস্টার খান আরও বলেন, আগে আমার স্টলে আসুক সাধারণ ভ্রমণপিয়াসীরা। তারপর ভ্রমণের সিদ্ধান্ত। আমাকে সুযোগ দেয়া হলে ট্যুরিজমের চেহারা পরিবর্তন করে দিব।