শুক্রবার,

২০ মার্চ ২০২৬

|

চৈত্র ৬ ১৪৩২

XFilesBd

জনসেবায় নিবেদিত এক মাস

উৎসবেও বিরামহীন কর্মতৎপরতা: কর্তব্যনিষ্ঠায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী

ড. অখিল পোদ্দার

প্রকাশিত: ১৯:১২, ২০ মার্চ ২০২৬

উৎসবেও বিরামহীন কর্মতৎপরতা: কর্তব্যনিষ্ঠায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সফল একটি মাস অতিবাহিত করলেন তারেক রহমান। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনবান্ধব সিদ্ধান্তগুলো দেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। নতুন উদ্দীপনায় দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার নিয়ে তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন, এক মাস পূর্তিতে তার প্রতিফলন এখন স্পষ্ট। বিশেষ করে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের এই আনন্দঘন মুহূর্তে তিনি দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

তবে এবারের ঈদে প্রধানমন্ত্রী এক অনন্য ও অনুকরণীয় নজির স্থাপন করতে যাচ্ছেন। দেশজুড়ে যখন উৎসবের আমেজ, তখন জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে তিনি ঈদের দিনেও দপ্তরে থেকে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে ঈদের দিনেও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এবং সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার এই ঘোষণা তার দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে তিনি যে বিরামহীন পরিশ্রম করতে বদ্ধপরিকর, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ দেয়।

বিগত এক মাসে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিষ্পত্তি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো জনগণের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। আমলাতন্ত্রে গতিশীলতা আনা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে প্রশাসনিক স্তরেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের এই ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর কর্মতৎপরতা দেশের প্রতিটি প্রান্তে সেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে। তার এই ত্যাগ এবং কর্তব্যনিষ্ঠা কেবল প্রশংসাই কুড়াচ্ছে না, বরং এটি প্রমাণ করছে যে—বিলাসিতা নয়, জনসেবাই তার রাজনীতির মূল দর্শন। এক মাস পূর্তির এই ক্ষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই নিরলস কর্মপ্রয়াস একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।