দিন যাচ্ছে। পাল্টাচ্ছে সাহিত্যের ঢং। আর তা যদি হয় কথাসাহিত্য তাহলে তো কথাই নেই। ধানমন্ডি আড্ডার ১২ তম আসরে গল্পকথায় উঠে এলো সেসবের নূরীনক্ষত্র।

শিরোনাম: অনুগল্প ও ফ্ল্যাশ ফিকশন চর্চাঃ ভিন্নতা ও পাঠকপ্রিয়তা। বিষয়ের ভারিক্কি মাথায় তুলে হালজমানায় আন্তর্দেশীয় লেখকদের সঙ্গে বহির্দেশীয় গল্পের কাঠামোগত শৈলী কিভাবে কমনীয়তা ছড়াচ্ছে তার সাবলীল বার্তা জানান কবি ও সমালোচক মোজাফফর হোসেন।

নিজের লেখায় ফিকশন ধরে পাল্টা জবাব দেন কবি-সমালোচক ও প্রকাশক সৈকত হাবিব। নিজ গুণে পরিচিত সৈকত হাবিব পাঠ করেন নিজের লেখা ছোটগল্প।

পেশায় নামজাদা চিকিৎসক মোহিত কামালের লেখার ভাণ্ডার বিশেষভাবেই বিখ্যাত। তিনি ছিলেন ধানমন্ডি আড্ডার সভাপতি।

অনুষ্ঠানের অধিকর্তা নূর কামরুন নাহার নিজের অফিস সামলে, যানজট উতরে যথাসময়ে পিঠার পিঠে চা নিয়ে হাজির।

কাসুন্দির ঝাঁঝ ততোক্ষণে আভা ছড়িয়েছে হিমের রাতে। একে একে বিশিষ্টজনেরা বহুভাবে অনুগল্পের আখ্যান নিয়ে আলোচনা করেন।

বাংলা একাডেমী ও অনন্যা সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ঝর্ণা রহমান ছিলেন নির্ধারিত আলোচকদের অন্যতম। গুণী লেখক ও গবেষক ড. তপন বাগচী, কবি আনিস রহমান, শামীম আহমেদসহ অন্যরা অংশ নেন আলোচনা ও সমালোচনায়। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি রোকেয়া ইসলাম, কবি হালিম খান, সাংবাদিক ও লেখক ড. অখিল পোদ্দার প্রমুখ।

বিশিষ্ট কবি নাসির আহমেদ ও কবি শাহ সানাউল হকের জন্মদিন উপলক্ষে সম্মিলিতভাবে কেক কাটা হয় আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে। বিদায়ের আগে ধানমন্ডি আড্ডার ১২ তম আসরের আয়োজক প্রাবন্ধিক ও গল্পকার নূর কামরুন নাহার আপ্যায়িত করেন সুগন্ধি খিচুরিতে। পুরো আনুষ্ঠানিকতায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি আফরোজা সিদ্দিকী, নিগার সুলতানা, রেবা হাবিব, মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, সুজন বড়ুয়া, রমজান মাহমুদ, মুজতবা আহমেদ মুরশেদ, ড: গোলাম মোস্তফা, ফরিদুর রহমান, মুজাফফর হোসেন, মনির চৌধুরী, সাদমান সাকিব, আশফাকুজ্জামান, জাহাঙ্গীর হোসাইন, সুমন সরদার, মাহবুবা ফারুক, মেহরাজ নূর, আসাদ মান্নান, নাজমা মান্নান, শাহ সানাউল হক, মারুফ জাহান মুক্তি, সরকার আব্দুল মান্নান, দেবী সাহা, মনি নাসিম সুলতানা, সামসুল বারী উৎপল, টোটন চন্দ্র দাস, মূসতারি বেগম, আব্দুল মান্নান প্রমুখ।

