বৃহস্পতিবার,

২০ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৭ ১৪৩১

XFilesBd

শিরোনাম

সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের হবিগঞ্জের কার ও ট্রাকের সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৫ যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী প্রাণি ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি নেতারা সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে : ওবায়দুল

ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় : ভারতীয় হাইকমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:০০, ১০ আগস্ট ২০২৩

ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় : ভারতীয় হাইকমিশনার

 ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র। ভৌগলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে দু’রাষ্ট্রের সাথে আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনারা প্রাণ দিয়েছে। তখন থেকে ভারত ও বাংলাদেশের রক্তের সম্পর্ক ও বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। তাই উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।’

 হাইকমিশনার আজ বুধবার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর শ্রীধাম ওড়াকান্দিতে মতুয়া মহাসংঘের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মতুয়া মাতা সীমা দেবী ঠাকুরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাগর সাধু ঠাকুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ প্রতিনিধি সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি কাশিয়ানী উপজেলা চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর। এসময় মতুয়াচার্য অমিতাভ ঠাকুর ও মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি দেবব্রত ঠাকুর উপস্থিত ছিলেন। 

 ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা শ্রীধাম ওড়াকান্দি এসে পৌঁছালে মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। এরপর তিনি হরিচাঁদ মন্দির ও গুরুচাঁদ মন্দির পরিদর্শন করেন। তিনি হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ মন্দিরে প্রণাম শেষে যোগ দেন মতুয়া প্রতিনিধি সভায়। এরপর তিনি ওড়াকান্দি ঠাকুর পরিবারের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। 

 পরে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের উদ্দেশ্যে ওড়াকান্দি ত্যাগ করেন। 
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শ্রীধাম ওড়াকান্দি সফর করেন। তখন তিনি হরিচাঁদ মন্দিরে পূজা দেন। মতুয়া প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পরে ঠাকুর পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।