বুধবার,

১০ জুন ২০২৬

|

জ্যৈষ্ঠ ২৭ ১৪৩৩

XFilesBd

আমিন বাজার এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খানের প্রশংসায় ভূমি সেবাপ্রত্যাশীরা

মহসিন খান বুলবুল, সাভার

প্রকাশিত: ১৫:১৮, ১০ জুন ২০২৬

আপডেট: ১৫:২১, ১০ জুন ২০২৬

আমিন বাজার এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খানের প্রশংসায় ভূমি সেবাপ্রত্যাশীরা

ভূমি সেবায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। দালালের দৌরাত্ম্য হ্রাস, হয়রানিমুক্ত সেবা এবং দ্রুততম সময়ে ই-নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন হওয়ায় আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খানের ওপর সন্তোষ প্রকাশ করছেন সাধারণ ভূমি সেবাপ্রত্যাশীরা।
​গত কয়েক মাসে আমিন বাজার ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে তাঁর নেওয়া নানামুখী উদ্যোগের কারণে কার্যালয়টির চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

​সরেজমিনে আমিন বাজার ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের কথা ধৈর্য সহকারে শুনছেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান। কোনো প্রকার মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের আশ্রয় ছাড়াই সরাসরি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ফাইল নিষ্পত্তি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রবাসী, বৃদ্ধ ও নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
​ভূমি সেবা নিতে আসা কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগে একটি নামজারি বা ভূমির পর্চা তুলতে মাসের পর মাস সরকারি দপ্তরে ঘুরতে হতো। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড যোগদানের পর থেকে সরকারি নির্ধারিত ফি-র বাইরে অতিরিক্ত কোনো টাকা লাগছে না এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হচ্ছে। কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে তা সেবাগ্রহীতাকে বুঝিয়ে বলে দ্রুত সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
​সেবাপ্রত্যাশীরা বলেন, "এখন ভূমি অফিসে আসতে ভয় লাগে না। এসিল্যান্ড স্যার নিজেই সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। তাঁর এই সততা ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়।"
​এই বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, "ভূমি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি। কোনো মানুষ যেন ভূমি অফিসে এসে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। আমিন বাজার ভূমি অফিসকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত ও সেবাবান্ধব করতে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।"
​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, শাহাদাত হোসেন খানের মতো সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তা প্রতিটি দপ্তরে থাকলে সরকারের ডিজিটাল ও স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষ্য আরও দ্রুত সফল হবে।