রোববার,

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

|

ভাদ্র ২১ ১৪৩৩

XFilesBd

শিশু নিখোঁজ সম্পর্কে পুলিশের বক্তব্য

২০২৩ সালে নিখোঁজ ১৭ হাজার ৮০৮। ২০২৪ সালে ১৬, ৪১৪ এবং ২০২৫ সালে ২২, ৫৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৩৮, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১২:৪২, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৩ সালে নিখোঁজ ১৭ হাজার ৮০৮। ২০২৪ সালে ১৬, ৪১৪ এবং ২০২৫ সালে ২২, ৫৫০

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে পনেরো হাজারের অধিক শিশু নিখোঁজ হয়েছে মর্মে প্রকাশিত সংবাদের সমালোচনা করেছে পুলিশ সদর দফতর। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তারা বলেছেন, নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা অর্থাৎ নিখোঁজ শিশুদের কতজন উদ্ধার হয়েছে বা নিজ নিজ পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে—এ সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ না থাকায় শিশু নিখোঁজের প্রকৃত চিত্র পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ফলে এ বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিশু নিখোঁজ সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি নিরসন এবং অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজ জিডি হয়েছে ৪৭৪, উদ্ধার হয়েছে ৪০৬ জন, উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন। একই সময়ে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজ হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩, উদ্ধার হয়েছে ১৩ হাজার ২৭৩ জন, উদ্ধার হয়নি ১ হাজার ৯৭০ জন। আলোচ্য সময়ে মোট ১৫ হাজার ৭১৭ নিখোঁজ শিশুর মধ্যে উদ্ধার হয়নি ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজের শতকরা ১৩ ভাগ।

নিখোঁজ হওয়ার কারণ হিসেবে দেখা যায়, শূন্য থেকে ৯ বছরের শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সাথে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথঘাট ভুলে যাওয়া, পরিবারের সদস্যদের নাম ঠিকানা বলতে না পারা এবং একাকী বাসায় ফিরতে গিয়ে অন্য স্থানে চলে যাওয়া ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়। আবার ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীরা অভিমান করে, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীন জীবন-যাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা আদায়ের কৌশল, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাব ইত্যাদি কারণে নিখোঁজ হয়।
বর্তমানে পুলিশি সেবা সহজীকরণের অংশ হিসেবে অনলাইন জিডি সুবিধা চালু হয়েছে। ফলে জিডির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।