বৃহস্পতিবার,

২০ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৫ ১৪৩১

XFilesBd

শিরোনাম

সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের হবিগঞ্জের কার ও ট্রাকের সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৫ যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী প্রাণি ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি নেতারা সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে : ওবায়দুল

‘ভায়েরা আমার’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন 

প্রকাশিত: ০৫:১৪, ১৩ জুন ২০২৩

আপডেট: ০৫:১৫, ১৩ জুন ২০২৩

‘ভায়েরা আমার’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুশো বক্তৃতা সম্বলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকের শুরুতে ‘ভায়েরা আমার’ শিরোনামের বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, ‘ভাইয়েরা আমার (মাই ব্রাদার্স)’ নামটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বইটির ভূমিকাও লিখেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম ভাষণগুলো সংগ্রহ, সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন। জিনিয়াস পাবলিকেশন বইটি প্রকাশ করেছে। জাতির পিতার এই ভাষণ সমগ্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে এখন পর্যন্ত পাওয়া সকল ভাষণ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বইটির দুশো ভাষণের মধ্যে বাংলাদেশ বেতারের আর্কাইভস থেকে পাওয়া টেপ/সিডি থেকে একশোরও বেশি ভাষণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাষণের যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে। বইটিতে প্রতিটি ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট করে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া সূচিতে ভাষণের বিষয়বস্তু, সাল ও তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতির পিতার ভাষণ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বে এক অমূল্য সম্পদ। বইয়ের ভূমিকায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুধু পড়াই নয়, সেগুলোর মর্মার্থ অনুধাবন করে নিজ নিজ জীবনে অনুশীলন করতে হবে।” তিনি আরো উল্লেখ করেন,“জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চেয়েছিলেন। এই সোনার মানুষ হতে হলে জাতির পিতার আদর্শ ও জীবনাচরণ চর্চা করা অত্যাবশ্যক। ” বইটির সম্পাদক নজরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ভাষণসমগ্রটি রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও আগামী প্রজন্মের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।